| কোড: 271881 | তারিখ: 2011/10/15 | সূত্র: Abna | print |
ক্রোয়েশিয়ার গ্রান্ড মুফতির প্রধান উপদেষ্টা আয়াতুল্লাহ জাওয়াদি আমুলী’র সাথে সাক্ষাতে করলেন ইউরোপ, প্রকৃত ইসলামের সাথে পরিচিত নয় : ক্রোয়েশিয়ার গ্রান্ড মুফতির প্রধান সহকারী |
আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা আবনার রিপোর্ট : ড. আযিয হাসানোভিচ, আয়াতুল্লাহ জাওয়াদি আমোলী’র সাথে সাক্ষাতকালে বলেছেন : যদি কোম শহরে এসে আয়াতুল্লাহ জাওয়াদি আমোলী’র সাথে সাক্ষাত না করতাম তবে এ শহরের ইতিবাচক বৈশিষ্ট হতে উত্তমরূপে উপকৃত হতে পারতাম না।
তিনি বলেন : হযরত আয়াতুল্লাহ জাওয়াদি আমোলী’র চেহারা, তার কর্তৃক ইসলামি বিপ্লবের প্রণেতার (ইমাম খোমেনী রহ.) বানী গর্ভাচেভের নিকট পৌঁছানোর বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেয়। আর এ কারণেই তার সাথে সাক্ষাত আমার জন্য অতি গর্বের বিষয়।
ক্রোয়েশিয়ার গ্রান্ড মুফতির প্রধান সহকারী বলেন : ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ক্ষমতা ইউরোপে আমাদের শক্তিশালী হওয়ার কারণ হয়েছে। আর এ কারণে ইরানের অস্তিত্বে আমরা গর্বিত।
তিনি ইসলামি জাগরণ বিষয়ক অধিবেশনে তার অংশগ্রহন এবং সেখানে ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ আল-উজমা সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ী’র বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে বলেন : যখন দেখলাম যে, ইরানের ধর্মীয় নেতা মুসলিম বিশ্বের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব হিসেবে মুসলিম বিশ্বের চলার পথের নির্দেশনা দিচ্ছেন তখন আমি সত্যিই গর্ব বোধ করেছি।
জনাব হাসানোভিচ বলেন : ক্রোয়েশিয়ার মোট জনসংখ্যার শতকরা ১.৮ ভাগ লোক হচ্ছে মুসলমান এবং তারা সংখ্যাগত দিক থেকে ১ লক্ষ। এত নগন্য সংখ্যক হওয়া সত্ত্বেও আমরা সকলের সম্মুখে একজন প্রকৃত মুসলমানরূপে থাকার চেষ্টায় সচেষ্ট।
তিনি বলেন : আমি এমন একটি দেশে জীবন-যাপন করি, যারা কম্যুনিস্ট ও সোভিয়েতদের বুটের তলাল পিষ্ট হয়েছে। কিন্তু আজ তারা সেই চাপ হতে মুক্তি পেয়েছে এবং আমরা জাগ্রত হতে পেরেছি।
ক্রোয়েশিয়ার গ্রান্ড মুফতির প্রধান সহকারী বলেন : কম্যুনিস্ট ও সোভিয়েতের পতনের পর আমরা ঐ জিনিসটিকে জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি যার পথে কম্যুনিস্টরা বাধার সৃষ্টি করত, আর তা হচ্ছে ক্রোয়েশিয়ায় ধর্মীয় শিক্ষা-প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বিস্তার ঘটানো।
তিনি ইউরোপে ইসলামভীতির ব্যাপারে বলেন : ইউরোপীয়রা ইসলামের প্রকৃত বাণী সম্পর্কে পরিচিত নয়। আর এ কারণেই তারা এমন সব ব্যক্তিদেরকে সামনে এনেছে যারা ইসলামের বিপক্ষে কাজ করে।
ইউরোপে মুসলমানদের অন্যতম সমস্যা হচ্ছে ইসলাম ধর্মকে স্বীকৃতি না দেয়া –এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন : ইউরোপ মহাদেশের চারটি দেশের -অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, ক্রোয়েশিয়া ও স্পেন- এদেশে ইসলাম ধর্মকে স্বীকৃতি দিয়েছে।
জনাব হাসানোভিচ বলেন: ইউরোপে অবস্থিত ইরানের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলো বিভিন্ন সমস্যার সমাধান দিতে সক্ষম এবং ইউরোপের মুসলমানদের জন্য এমন দিগন্ত উন্মোচন করতে সক্ষম যার প্রয়োজন তারা তীব্রভাবে অনুভব করছে।
তিনি আরো বলেন : ইউরোপের ইসলামি কেন্দ্রগুলোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হচ্ছে মুসলমানদের একত্ববাদের প্রকৃত স্বকীয়তার প্রসার ঘটানোর লক্ষ্যে সকল ক্ষেত্রে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা।#