| কোড: 276155 | তারিখ: 2011/11/02 | সূত্র: Abna | print |
সৌদি ওয়াহাবী মুফতি : ইসরাইলী সৈন্য গ্রেপ্তারের বিনিময়ে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হারাম! |
সৌদি আরবের মুফতি ও এদেশের বাদশা’র উপদেষ্টা ‘আব্দুল মুহসিন আবিকান’, সৌদি আরবের মধ্যপন্থী মুফতি ও বিশিষ্ট ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ‘শেইখ এওয়াজ আল কারনী’র আহবানকে নাকচ করে দিয়েছেন। শেইখ কারনী, ফিলিস্তিনী বন্দী বিনিময়ের লক্ষ্যে প্রতিটি ইসরাইলী সৈন্যকে গ্রেপ্তারের জন্য ১ লক্ষ ডলার নগদ অর্থ পুরস্কারের কথা ঘোষণা দিয়েছিলেন।
আবিকান বলেছেন : ইসরাইলী সৈন্যদের গ্রেপ্তারের বিনিময়ে অর্থ প্রদান করা এক দিক থেকে সৌদি আরবের রাজপরিবারের সীমারেখা অতিক্রমের পর্যায়ে পড়ে এবং তা হারাম।
সকল প্রকার জেহাদ এবং ফিলিস্তিনকে সহযোগিতা সৌদি আরবের বাদশা’র অনুমতিক্রমে প্রদান করতে হবে -এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন : আমাদের অভিভাবকের অনুমতি ব্যতীত এ ধরণের পদক্ষেপ শরয়ী, বুদ্ধিবৃত্তি এবং প্রচলিত নিয়মের দৃষ্টিকোণ থেকে সঠিক নয়।
বলাবাহুল্য, একজন ইসরাইলী সৈন্যের বিনিময়ে ১ হাজার ফিলিস্তিনী বন্দীর মুক্তি লাভের বিষয়টিতে ফিলিস্তিনী মুজাহিদ ও আরব দেশসমূহে তাদের সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক আলোড়নের সৃষ্টি হয়েছে, যাতে ইসরাইলের কারাগারে আটক অন্যান্য ফিলিস্তিনী বন্দীদের মুক্তির লক্ষ্যে ইসরাইলী সৈন্যদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এরই ভিত্তিতে ‘শেইখ এওয়াজ আল কারনী’ ঘোষণা করেছিলেন যে, যে ফিলিস্তিনী যোদ্ধা একজন ইসরাইলী সৈন্যকে গ্রেপ্তার করতে পারবে তাকে ১ লক্ষ ডলার পুরস্কার দেয়া হবে।
১ লক্ষ ডলার নগদ অর্থ পুরস্কারের কথা ঘোষণা দেয়ার পর যুবরাজ ‘খালেদ বিন তাল্লাল’ ঘোষণা করেছিলেন যে, যে ব্যক্তি এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে তাকে ৯ লক্ষ ডলার প্রদান করা হবে। ফলশ্রুতি সর্বসাকূল্যে ইসরাইলী সৈন্যকে গ্রেপ্তারকারী এক মিলিয়ন (১০ লাখ) ডলার লাভ করবে।#