| কোড: 313201 | তারিখ: 2012/05/05 - 21:03 | সূত্র: আবনা | print |
পাকিস্তানে শিয়া হত্যার ধারাবাহিকতায়; এক শিয়ার গলাকাটা লাশ উদ্ধার / সামরিক অফিসারসহ ২ শিয়ার শাহাদাত |
পাকিস্তানের ‘খায়বার পাখতুনখা’ প্রদেশের ‘কুহাত’ অঞ্চল হতে পাকিস্তানি শিয়া মুসলিম ‘জনাব আব্দুল হাসান ওরফে লালু’র লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সন্ত্রাসীরা তার মাথা বিচ্ছিন্ন করার পর তার লাশ ‘আফ্রিদ আবাদ’ এলাকার একটি পানির ড্রেনে ফেলে রেখে যায়।
আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা আবনার রিপোর্ট : পাকিস্তানে পরিকল্পিতভাবে শিয়া হত্যার ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ২ দিনে ৩ জন শিয়া মুসলিম তাকফিরী (অন্যদেরকে কাফের ফতওয়া দানকারী) সন্ত্রাসীদের হাতে শহীদ হয়েছেন।
১৪ই ফেব্রুয়ারী কুহাত অঞ্চল হতে গলাকাটা এক শিয়ার লাশ উদ্ধার
গত বৃহস্পতিবার (৩রা মে) পাকিস্তানের এক শিয়া মুসলিমের গলাকাটা গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত জনাব আব্দুল হাসান ওরফে লালু গত মঙ্গলবার সন্ত্রাসীদের কর্তৃক অপহৃত হয়েছিলেন। সন্ত্রাসীরা তার মাথা কেটে আফ্রিদ আবাদ শহরের একটি পানির ড্রেনে ফেলে যায়।
আব্দুল হাসান (৪০) ছিলেন শিয়া অধ্যুষিত গ্রাম ‘আলী যাঈ’-এর বাসিন্দা। তার শাহাদাতের মধ্য দিয়ে চলতি মাসের শুরু হতে এ পর্যন্ত মোট ৭ জন শিয়া শাহাদাত বরণ করেছেন।
করাচী ও ওয়াজিরিস্তানে সামরিক অফিসারসহ ২ জন শিয়ার শাহাদাত
গতকাল শুক্রবার (৪ঠা মে) পাকিস্তানের করাচী ও ওয়াজিরিস্তানে ২ জন শিয়া শাহাদাত বরণ করেছেন।
গতকাল বিকেলে সৈয়দ গোলাম মুহাম্মাদ নাকাভী’র পুত্র সৈয়দ সিবতাইন শাহ নাকাভি করাচীর ‘মাঙ্গো পীর’ স্ট্রীটে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়ে শাহাদাত বরণ করেছেন। ৪২ বছর বয়স্ক এ শহীদ ছিলেন পুলিশ বাহিনী’র সদস্য।
করাচীতে পুলিশ বাহিনী’র ঐ সদস্যের উপর হামলার কিছুক্ষণ পর ওয়াজিরিস্তানে আহমাদ খানের পুত্র ‘হেদায়েত হুসাইন’ সিপাহে সাহাবা সন্ত্রাসীদের সাথে সংঘর্ষে শাহাদাত বরণ করেন।
জনাব হেদায়েত হুসাইন ছিলেন পাকিস্তান সামরিক বাহিনী’র একজন অফিসার এবং শিয়া অধ্যুষিত গিলগিত অঞ্চলের ‘উস্তুরা’ এলাকার বাসিন্দা।#