| কোড: 313205 | তারিখ: 2012/05/05 - 21:07 | সূত্র: মেহর | print |
তিউনিশিয়ার সত্য উদ্ঘাটন কমিটির ঘোষণা : তিউনিশিয়া বিপ্লবে ৩৩৮ জন নিহত ও ২১৪৭ জন আহত হয়েছে |
তিউনিশিয়ার সত্য উদ্ঘাটন জাতীয় কমিটি কর্তৃক প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ দেশের গণবিপ্লবে হতাহতদের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে।
আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা আবনার রিপোর্ট : তিউনিশিয়ার সত্য উদ্ঘাটন জাতীয় কমিটি -বর্তমানে তাওফিক বুদার বালাহ’র সভাপতিত্বে পরিচালিত- এদেশের গণ বিপ্লবে নিহত ও আহতদের সংখ্যা প্রকাশ করেছে। এ কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, গণবিক্ষোভের সময় ৩৩৮ জন নিহত এবং ২১৪৭ জন আহত হয়েছে। নিহতদের শতকরা ৬০ ভাগ নিরাপত্তা বাহিনী বা সামরিক বাহিনী’র গুলিতে নিহত হয়েছে এবং অবশিষ্টরা টিয়ার গ্যাস আক্রান্ত হয়ে বা সহিংসতার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছে। এ কমিটি ২০১১ সালের মার্চ মাসে এদেশের অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট ‘ফুয়াদ আল-মাবযা’র নির্দেশে গঠিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, নিহতদের ৬০ শতাংশ এবং আহতদের ৭৮ শতাংশ ‘আল-কাসরাইন’, ‘সাইয়্যেদি বু যাইদ’, কাফসাহ প্রদেশ এবং এদেশের রাজধানী’র বাসিন্দা।
এ কমিটির ফলাফল অনুযায়ী নিহতদের ৮২ শতাংশ ও আহতদের ৭৬ শতাংশের বয়স ৪০ বছরের নীচে, যাদের মধ্যে নিহতদের শতকরা ৯৬.৫ ভাগ ও আহতদের মধ্যে হতে শতকরা ৮৯ ভাগ পুরুষ এবং নিহতদের মধ্যে অবশিষ্ট ৩.৫ শতাংশ এবং আহতদের শতকরা ১১ ভাগ নারী।
ঐ কমিটি আরো জানিয়েছে যে, শতকরা ৬১ ভাগ লোক ১৪ জানুয়ারী ২০১১, বিন আলী’র সৌদি আরবে পলায়নের দিন নিহত হয়।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যাইনুল আবেদীন বিন আলী গণবিক্ষোভের শুরু হতে তার পলায়নের দিন অবধি জনতার উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন এবং তিউনিশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার এ নির্দেশ পালন করেছিল।
সত্য উদ্ঘাটন কমিটি আরো উল্লেখ করেছে যে, ১৪ই জানুয়ারী কার্ফ্যূ জারী হওয়ার পর সামরিক বাহিনী’র হাতে ক্ষমতা ছিল এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আহতদের সেবা দানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করে গড়িমসি করেছিল।
বলাবাহুল্য, ইতিপূর্বে জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে ঘোষণা করা হয়েছিল যে, তিউনিশিয়ার গণবিপ্লবে ৩০০ ব্যক্তি নিহত এবং ৭০০ জন আহত হয়েছে।#