টিভি বিতর্কে ইসরাইলকে শত্রু বললেন মিশরের প্রেসিডেন্ট প্রার্থীরা
কোড: 314475 তারিখ: 2012/05/11 - 20:43সূত্র: রেডিও তেহরানprint

টিভি বিতর্কে ইসরাইলকে শত্রু বললেন মিশরের প্রেসিডেন্ট প্রার্থীরা

মিশরের প্রেসিডেন্ট প্রার্থীরা এক টেলিভিশন বিতর্কে ইসরাইলের কঠোর সমালোচনা করে তেলআবিবকে কায়রোর প্রধান শত্রু বলে অভিহিত করেছেন। 

 টিভি বিতর্কে ইসরাইলকে শত্রু বললেন মিশরের প্রেসিডেন্ট প্রার্থীরা

বার্তা সংস্থা আবনার রিপোর্ট : মিশরের প্রেসিডেন্ট প্রার্থীরা এক টেলিভিশন বিতর্কে ইসরাইলের কঠোর সমালোচনা করে তেলআবিবকে কায়রোর প্রধান শত্রু বলে অভিহিত করেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে এ বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং মিশরের দু'টি শীর্ষস্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলে এ বিতর্ক সরাসরি সম্প্রচারিত হয়েছে। দেশজুড়ে লাখ লাখ মানুষ এ বিতর্ক উপভোগ করেছেন।

বিতর্কে মুসলিম ব্রাদারহুড নেতা আব্দুল মোনেইম আবুল ফোতুহ বলেছেন, "ইসরাইল একটি শত্রু, ভূমি জবরদখল করে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং আমাদের নিরাপত্তাকে হুমকিগ্রস্ত করে এটি টিকে থাকতে চায়।" তিনি আরো বলেন, "ইসরাইল এমন একটি দেশ যার হাতে রয়েছে ২০০টি পরমাণু বোমা, এটি জাতিসংঘের সব প্রস্তাব লঙ্ঘন করেছে এবং ফিলিস্তিনিদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার ফিরিয়ে দিতে ইচ্ছুক নয়।"

মিশরের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আরব লীগের সাবেক প্রধান আমর মুসাও এ টিভি বিতর্কে তেলআবিব সম্পর্কে একই ধরনের মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, "আমাদের বেশিরভাগ জনগণ ইসরাইলকে শত্রু মনে করে এবং তেলআবিবের সঙ্গে শান্তিতে বিশ্বাসী নয়; এটিই বাস্তবতা।"

মিশরের ইতিহাসে এই প্রথম প্রেসিডেন্ট প্রার্থীরা টেলিভিশনে জাতির সামনে বিতর্কে অবতীর্ণ হলেন। সাবেক স্বৈরশাসক হোসনি মুবারকের শাসনামলে এ ধরনের বিতর্ক সম্ভব ছিল না। গত বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি প্রবল গণ-অভ্যুত্থানে মুবারক সরকারের পতনের পর দেশটিতে গণতান্ত্রিক চর্চার ক্ষেত্রে অনেকটা উন্মুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার যে দুই প্রার্থী বিতর্কে অবতীর্ণ হন তাদের মধ্যে আমর মুসা হোসনি মুবারকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে ১০ বছর দায়িত্ব পালনের পর ২০০১ সালে আরব লীগের প্রধান হয়েছিলেন। অন্যদিকে মুসলিম ব্রাদারহুড দলের প্রধান প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী খাইরাত আশ-শাতিরের প্রার্থীতা বাতিল হয়ে যাওয়ার কারণে আবুল ফোতুহ কার্যতঃ মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রার্থীতে পরিণত হয়েছেন। আর এ দলটির জনপ্রিয়তা তুঙ্গে থাকায় তিনিই মিশরের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

আগামী ২৩ ও ২৪ মে মিশরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই নির্বাচনে কোন প্রার্থী এককভাবে শতকরা ৫০ ভাগের বেশি ভোট পেতে ব্যর্থ হলে ভোটাভুটি দ্বিতীয় পর্যায়ে গড়াবে এবং সেখানে প্রথম পর্যায়ের নির্বাচনের সর্বাধিক ভোট পাওয়া দুই প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।#

(সূত্র : রেডিও তেহরান)

 




ই-মেইল:
নাম:
মতামত:
Enter security code
erfan
ABNA World Service
Englishالعربية
Françaisاردو
Españolفارسی
Русский中文
DeutschTürkçe
Azeri (cyr) Azeri (ltin)
Melayu Indonesia
বাংলা हिन्दी
Swahili Myanmar
BosanskiABP sites
  সর্বশেষ সংবাদ